April 21
২০২৪ সালে প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদনে যুক্তরাষ্ট্র এককভাবে শীর্ষে অবস্থান করছে, যার উৎপাদন ৩৭,৭৫১ বিলিয়ন ঘনফুট, যা বৈশ্বিক সরবরাহের প্রায় ২৫%। উন্নত শেল গ্যাস প্রযুক্তি, শক্তিশালী অবকাঠামো এবং বিনিয়োগের কারণে দেশটি দ্বিতীয় স্থানের রাশিয়া (২২,৬৭২ বিলিয়ন ঘনফুট) থেকে অনেক এগিয়ে।
নিচে ২০২৪ সালের শীর্ষ ১০ গ্যাস উৎপাদক দেশের তালিকা দেওয়া হলো:
১. যুক্তরাষ্ট্র — ৩৭,৭৫১ বিলিয়ন ঘনফুট
২. রাশিয়া — ২২,৬৭২ বিলিয়ন ঘনফুট
৩. ইরান — ৯,৮৫৩ বিলিয়ন ঘনফুট
৪. চীন — ৯,১১১ বিলিয়ন ঘনফুট
৫. কানাডা — ৭,০২৮ বিলিয়ন ঘনফুট
৬. কাতার — ৬,০০৩ বিলিয়ন ঘনফুট
৭. অস্ট্রেলিয়া — ৫,৩৬৮ বিলিয়ন ঘনফুট
৮. নরওয়ে — ৪,৬২৬ বিলিয়ন ঘনফুট
৯. সৌদি আরব — ৪,৩৪৪ বিলিয়ন ঘনফুট
১০. আলজেরিয়া — ৩,৪৯৬ বিলিয়ন ঘনফুট
এই তালিকা থেকে স্পষ্ট যে বৈশ্বিক গ্যাস উৎপাদন কয়েকটি বড় দেশের মধ্যে কেন্দ্রীভূত। যুক্তরাষ্ট্র একাই উৎপাদনে এতটাই এগিয়ে যে তার উৎপাদন ইরান ও চীন-এর সম্মিলিত উৎপাদনের কাছাকাছি। রাশিয়া দীর্ঘদিন ইউরোপের প্রধান গ্যাস সরবরাহকারী হলেও রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধ-এর পর তাদের প্রভাব কিছুটা কমেছে এবং ইউরোপ বিকল্প উৎসের দিকে ঝুঁকেছে। এই সুযোগে নরওয়ে ও যুক্তরাষ্ট্র গুরুত্বপূর্ণ সরবরাহকারী হিসেবে উঠে এসেছে।
অন্যদিকে, কাতার ও অস্ট্রেলিয়া এলএনজি (LNG) রপ্তানিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে, বিশেষ করে এশিয়ার বাজারে। চীন নিজেই বড় উৎপাদক হলেও বিপুল চাহিদার কারণে আমদানির ওপর নির্ভরশীল। মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা এবং বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তা ইস্যুর কারণে বর্তমানে অনেক দেশ নিরাপদ ও স্থিতিশীল সরবরাহের জন্য যুক্তরাষ্ট্র-এর ওপর নির্ভরতা বাড়াচ্ছে।
২০২৪ সালের তথ্য অনুযায়ী, বৈশ্বিক প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদন একটি শক্তিশালী ও সীমিত সংখ্যক দেশের হাতে কেন্দ্রীভূত। প্রযুক্তি, ভূরাজনীতি এবং বাজার চাহিদার পরিবর্তনের ফলে ভবিষ্যতে এই তালিকায় পরিবর্তন আসতে পারে, তবে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র-এর আধিপত্য স্পষ্ট