August 18
বৈদ্যুতিক যানবাহনের পর এবার বিমান পরিবহনেও দেখা যাচ্ছে বৈদ্যুতিক প্রযুক্তির সম্ভাবনা। বিশ্বের সবচেয়ে বড় ইলেকট্রিক বিমান নিয়ে সাম্প্রতিক আলোচনা বিমান চলাচলের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে নতুন আশার সৃষ্টি করেছে। প্রচলিত বিমানের মতো জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে বিদ্যুৎচালিত বিমান ভবিষ্যতে আরও পরিবেশবান্ধব বিমানযাত্রার পথ তৈরি করতে পারে।
ইলেকট্রিক বিমানের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো কার্বন নিঃসরণ ও শব্দদূষণ কমানোর সম্ভাবনা। বৈদ্যুতিক মোটর সাধারণত প্রচলিত জেট ইঞ্জিনের তুলনায় কম শব্দে কাজ করে এবং বিদ্যুৎ যদি নবায়নযোগ্য উৎস থেকে আসে, তাহলে সামগ্রিক পরিবেশগত প্রভাবও কমানো সম্ভব।
তবে বড় আকারের যাত্রীবাহী বিমানকে সম্পূর্ণ বৈদ্যুতিক করা এখনো বড় প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ। এর অন্যতম কারণ হলো ব্যাটারির শক্তির ঘনত্ব। একই পরিমাণ শক্তির জন্য ব্যাটারি বর্তমানে বিমান জ্বালানির তুলনায় অনেক বেশি ওজন তৈরি করে। ফলে দীর্ঘ দূরত্বের ফ্লাইটে বড় ব্যাটারি ব্যবহার করা কঠিন।
এ কারণে ভবিষ্যতে প্রথমে স্বল্প দূরত্বের বিমান, ছোট যাত্রীবাহী উড়োজাহাজ ও হাইব্রিড-ইলেকট্রিক বিমান বেশি জনপ্রিয় হতে পারে। প্রযুক্তির উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে উন্নত ব্যাটারি, দ্রুত চার্জিং ব্যবস্থা এবং দক্ষ বৈদ্যুতিক মোটর তৈরি হলে বড় বিমানের ক্ষেত্রেও এই প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়তে পারে।
সব মিলিয়ে, ইলেকট্রিক বিমান শুধু নতুন ধরনের উড়োজাহাজ নয়; এটি আরও টেকসই ও পরিবেশবান্ধব বিমান পরিবহন ব্যবস্থার দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। ভবিষ্যতে প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উঠতে পারলে বিমানযাত্রা হতে পারে আরও নীরব, পরিচ্ছন্ন ও জ্বালানি-সাশ্রয়ী।
October 12
September 07