October 14
ইংরেজি সাহিত্য কেবল শব্দের সমষ্টি নয়, এটি যুগের প্রতিফলন, মানুষের চিন্তা, সমাজের পরিবর্তন এবং আত্মার প্রকাশ। ঊনবিংশ শতাব্দীর পর সাহিত্য এক নতুন পথে যাত্রা শুরু করে—যেখানে লেখকরা মানুষের অন্তর্দ্বন্দ্ব, সমাজের অসাম্য, এবং ব্যক্তিসত্তার প্রশ্নকে সাহসের সঙ্গে তুলে ধরেন।
D.H. Lawrence, James Joyce, ও T.S. Eliot—এই তিন লেখক ইংরেজি সাহিত্যে আধুনিকতার সূচনা করেন। তাদের লেখায় দেখা যায় প্রতীকবাদ, চেতনার প্রবাহ (stream of consciousness) এবং সমাজের প্রচলিত ধারণার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ। যেমন Joyce-এর Ulysses আধুনিক মানুষের জীবনের জটিলতা তুলে ধরে, আর Eliot-এর The Waste Land সমাজের মানসিক শূন্যতাকে প্রতিফলিত করে। একই সময়ে, George Orwell তাঁর Animal Farm এবং 1984-এর মাধ্যমে রাজনীতি, ক্ষমতা, এবং স্বাধীনতার প্রশ্ন উত্থাপন করেন। তাঁর লেখাগুলো কেবল সাহিত্য নয়—মানবতার জন্য সতর্কবার্তা। Orwell দেখিয়েছেন কীভাবে ভাষা ও চিন্তা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে স্বাধীনতা ধ্বংস হতে পারে।
নারী লেখিকাদের কলমেও এই সময়ে নতুন আলো জ্বলে ওঠে। Virginia Woolf-এর পথ অনুসরণ করে Doris Lessing, Toni Morrison, এবং Margaret Atwood সমাজে নারীর অবস্থান ও আত্মপরিচয় নিয়ে গভীরভাবে লিখেছেন। Atwood-এর The Handmaid’s Tale আধুনিক নারীর সংগ্রাম ও স্বাধীনতার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইংরেজি কবিতাও এই সময়ে নতুন ছন্দ ও কণ্ঠে ভরে ওঠে। W.B. Yeats তাঁর কবিতায় আয়ারল্যান্ডের সংস্কৃতি, পুরাণ ও মানবজীবনের অনন্ত রহস্য তুলে ধরেন। Sylvia Plath এবং Ted Hughes ব্যক্তিগত বেদনা ও মানবিক অনুভূতিকে কবিতায় নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দেন। ইংরেজি সাহিত্যের সৌন্দর্য এখানেই—এটি কখনও থেমে থাকে না। প্রতিটি যুগে নতুন লেখক, নতুন ভাবনা, নতুন প্রশ্ন উঠে আসে। সাহিত্য আমাদের শেখায়—চিন্তা করতে, অনুভব করতে, এবং মানবতাকে গভীরভাবে ভালোবাসতে।
October 19