শেয়ার
করুন

ওয়েবসাইটি শেয়ার করুন

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence) – শিক্ষা ও সমাজে নতুন বিপ্লব

October 16

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence) – শিক্ষা ও সমাজে নতুন বিপ্লব

বর্তমান যুগকে বলা হয় প্রযুক্তির যুগ। এই যুগে যে বিষয়টি সবচেয়ে বেশি আলোচিত, তা হলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI)। এটি এমন একটি প্রযুক্তি যা মানুষের চিন্তা, শেখা ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতাকে অনুকরণ করতে সক্ষম। AI এখন আমাদের জীবনের প্রায় সব ক্ষেত্রেই প্রভাব ফেলছে — চিকিৎসা, ব্যবসা, শিক্ষা, পরিবহন, এমনকি বিনোদনেও। সাম্প্রতিক সময়ে অনেক দেশই শিক্ষাব্যবস্থায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অন্তর্ভুক্ত করছে, যাতে শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতের প্রযুক্তি নির্ভর বিশ্বে নিজেদের প্রস্তুত করতে পারে।

AI-ভিত্তিক টুল যেমন ChatGPT, Google Gemini বা Copilot এখন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের শেখার ধরন পাল্টে দিচ্ছে। শিক্ষার্থীরা এখন সহজেই তথ্য খুঁজে পাচ্ছে, লেখালেখি বা ভাষা শেখায় সাহায্য পাচ্ছে, এমনকি পরীক্ষার প্রস্তুতিতেও সহায়তা নিচ্ছে। তবে এর সঙ্গে কিছু চ্যালেঞ্জও রয়েছে — যেমন, শিক্ষার্থীরা যেন শুধুমাত্র প্রযুক্তির ওপর নির্ভরশীল না হয়ে নিজেদের বিশ্লেষণ ক্ষমতা বজায় রাখে। সম্প্রতি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে AI-এর নৈতিক ব্যবহার নিয়ে আলোচনাও চলছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, AI যেন মানুষের চাকরি বা সৃজনশীলতাকে প্রতিস্থাপন না করে, বরং মানুষের দক্ষতা বৃদ্ধির সহায়ক হিসেবে কাজ করে।

সবশেষে বলা যায়, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শুধু একটি প্রযুক্তি নয়, বরং এটি ভবিষ্যতের শিক্ষাব্যবস্থা, অর্থনীতি ও সমাজের রূপ পরিবর্তনকারী শক্তি। সচেতনভাবে ও নৈতিকভাবে এর ব্যবহারই আমাদেরকে একটি উন্নত ও স্মার্ট ভবিষ্যতের দিকে নিয়ে যেতে পারে।